জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বিভিন্ন প্রজাতির টিয়া, ঘুঘু, ভুবনচিল, কচ্ছপসহ নানা ধরনের বন্য প্রাণী অবমুক্ত করা হয়েছে। প্রাণীগুলো হলো ৪২টি টিয়া, ৪টি হরিয়াল ঘুঘু, ৭টি ভুবনচিল, ২টি কালিম ও কয়েকটি কচ্ছপ।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকায় এই প্রাণীগুলো অবমুক্ত করে বন্য প্রাণীসংক্রান্ত অপরাধ দমন ইউনিট।
বন্য প্রাণীসংক্রান্ত অপরাধ দমন ইউনিট জানায়, সাভারের নামাবাজার থেকে টিয়াগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য প্রাণীগুলো বিভিন্ন সময়ে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে সুস্থ করা হয়।
এ বিষয়ে ইউনিটের পরিদর্শক অসীম মল্লিক বলেন, ক্যাম্পাসে উপযুক্ত পরিবেশ থাকায় প্রাণীগুলো এখানে ছাড়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নিয়মিত অভিযান চালিয়ে বন্য প্রাণী বেচাকেনা করা অসাধু ব্যবসায়ীদের শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে এবং সচেতনতা তৈরি করা হচ্ছে।
এদিকে বাংলাদেশ বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা এবং তরুণ বন্যপ্রাণী গবেষক জোহরা মিলা জানান, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ অনুযায়ী প্রাণী নিধনের সর্বোচ্চ শাস্তি এক বছর জেল, এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডও হতে পারে। একই অপরাধ ফের করলে শাস্তি ও জরিমানা দ্বিগুণের বিধানও রয়েছে।
শিকারিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ ছাড়া কোনো ব্যক্তি পরিযায়ী পাখির মাংস ও দেহের অংশ সংগ্রহ বা দখলে রাখলে অথবা কেনাবেচা করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।
আরটিভি/এএএ/এস





